আইসোলেশনে ১১তম দিন

আইসোলেশন, প্রতিকী ছবি।

গত ৭ই জুন পাশের রুমের এক চাচা মারা যাওয়ার সময় তাঁর সংস্পর্শে আসার কারনে সন্দেহ হওয়ায় সেচ্চায় ১৪ দিনের কোয়ারইন্টাইন এ থাকার সিদ্বান্ত নিই। এর মধ্যে ১০ দিন এর মাথায় আমার কোভিড ১৯ টেস্ট করাই এবং রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মানুষিকভাবে তখন কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। রুমমেট দুইজন সাহস দিলো তাদের বিষয়ে অন্য দিন বলা যাবে।

যে চাচা মারা গেয়েছিল সেই চাচা এবং তার মেয়ের জামাই এক সাথে থাকতো। চাচাকে যেদিন দাফন করা হয় আমার সেদিন করোনা আক্রান্তের ৭ম দিন। দিনের বেলা দাফন করা হল,রাতের বেলায় খবর পেলাম মৃত চাচার ১৬ বছরের নাতনী দেশে মারা গেছে। রুমের সবারই দেখলাম মানুষিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে পাশের রুমের আরো একজনকে রিয়াদের একটি হাসপাতাল ভর্তি করানো হয়েছিল। তারও মৃত্যুর খবর আসে চাচার নাতনী মারা যাওয়ার পরদিন রাতে। এক ফ্ল্যাটে ৩ রুমে আমরা ৯ জন সবারই শাররীক ভাবে কিছুটা অসুস্থ। তাদের মধ্য একমাএ আমি কোভিড ১৯ টেস্ট করানোর পর রিপোর্ট পজিটিভ।

এমন সময় নিজেকে কি আর মানুষিকভাবে শক্ত রাখা যায়? তারপরও শুকরিয়া আল্লাহর অশেষ রহমতে কোন প্রকার জটিলতা ছাড়ায় কোভিড ১৯ আক্রান্ত হওয়ার ১১ তম দিন পার করছি।

  • সজীব রাশেদ, রিয়াদ, সৌদি আরব। 

১ thought on “আইসোলেশনে ১১তম দিন”

  1. Pingback: hiv gay dating

Leave a Comment

Your email address will not be published.