উইকেন্ড আউটিং-গন্তব্য নিউপোর্ট সমুদ্র সৈকত

লেখক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মহিউদ্দিন কিবরিয়া।

রবিবার উইকেন্ডের শেষ দিন। সকাল থেকে ঘরের কাজে ব্যস্ত থেকে দুপুরে ফ্রী হওয়ার পর ভাবলাম, যাই একটা লং ড্রাইভে কোথাও? সিডনীর দক্ষিণ-পশ্চিমে আমাদের লেপিংটন থেকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার দূরে উত্তর সিডনীর সাগরের তীর ঘেঁষে মাত্র দশ হাজার (আনুমানিক) জনসংখ্যা অধ্যুষিত ছোট্ট শহর নিউপোর্টের অবস্থান।

লেপিংটন থেকে প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার লং ড্রাইভের পর শেষ বিকালে যখন নিউপোর্ট এলাম তখন আকাশে ঝুলন্ত মেঘ, অর্থাৎ বৃষ্টি আসন্ন। পার্কিং থেকে বীচে হেটে যেতে মিনিট চারেক লাগে। বীচের দিকে কিছু দূর হেঁটে যেতেই শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ‌তাই সবাই কাছেই একটা রেস্টুরেন্টে অস্থায়ী শেল্টার নিলাম।

নিউপোর্ট শহরের পথে, বীচ মাত্র এক কিলোমিটার দূরে।

আধঘন্টা পর বৃষ্টি থেমে যেতেই হেঁটে হেঁটে চলে এলাম বীচের পাড়ে। এটা একটা সার্ফিং বীচ, তাই বীচের সাথেই দাঁড়িয়ে আছে ১৯০৯ সালের তৈরি নিউপোর্ট সার্ফিং লাইফ সেভিং ক্লাবের দৃষ্টিনন্দন ভবনটি।




তখন সন্ধ্যা হওয়ার বেশি বাকি নেই, কনকনে ঠাণ্ডা আর দমকা বাতাসের জন্য প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ বীচটা একদম ফাঁকা! সদ্য বৃষ্টি শেষে শেষ বিকালের সূর্যের আলোয় সাগরের উপর ভেসে থাকা বিশাল এক খন্ড মেঘের আড়ালে ফুটে উঠেছে চমৎকার রংধনু।‌

জনশূন্য বিকালের নিউপোর্ট বীচ, উত্তর সিডনী।

সাগরের বুকে এইরকম রংধনু শেষ বার দেখেছি ২০১৮ সালে সিডনী-হোবার্ট লং সীক্রুজের সময়। অনেক দিন পর আবার সাগরের বুকে রংধনু দেখার সুযোগ পেয়ে ছবি তুলতে আর বিলম্ব করলাম না।

  • মহিউদ্দিন কিবরিয়া, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া। 

Leave a Comment

Your email address will not be published.