করোনায় দক্ষিণ আফ্রিকা ও মোজাম্বিকে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

দক্ষিণ আফ্রিকা

করোনায় দক্ষিণ আফ্রিকা ও মোজাম্বিকে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

দক্ষিণ আফ্রিকার করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আরো ৩ বাংলাদেশির করোনায় মৃত্যু হয়েছে। কুমিল্লা জেলার কামাল হোসেন ও হাবিবুর রহমান, মানিকগঞ্জের আব্দুল বাতেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু নাটাল প্রদেশের ডারবানে করোনা আক্রান্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে কামাল হোসেন নামে এক বাংলাদেশির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। কামাল হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলায়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশের কেপটাউনে আব্দুল বাতেন নামে এক বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। তিনি কয়েকদিন ধরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেপটাউনের খোরোজকিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ জানুয়ারি বুধবার বিকাল ৫ টার সময় মারা গেছেন। তার দেশের বাড়ী মানিকগঞ্জ জেলায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্রি-স্টেট প্রদেশের ব্লুমফন্টিনে প্রবীণ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান (হাবিব) করোনা আক্রান্ত হয়ে ইউনিভাস্টাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার সময় মৃত্যুবরণ করেছেন। হাবিবুর রহমান কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ১০ নং জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের বিজয়করা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২১ বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যাবসা করে আসছেন।

এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার পার্শবর্তী দেশ মোজাম্বিকের মানিকা প্রভিন্সায় করোনায় মোঃ আব্দুল্লাহ (৩৬) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন আব্দুল্লাহ। গত এক সপ্তাহ আগে করোনা টেষ্টে পজিটিভ আসলে তিনি নিজ বাসায় চিকিৎসা নেন। তিন দিন বাসায় চিকিৎসা নেওয়ার পর শ্বাসকষ্ট, শরীরে ব্যাথা বেড়ে গেলে তাকে সিমুই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিমুই হাসপাতালে তার অবস্থার অবন্তী হলে একদিন পর ১৩ই জানুয়ারি তাকে করোনা হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার ১৪ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

২০০৭ সালে জীবিকার তাগিদে মোজাম্বিকে আসেন তিনি। আব্দুল্লাহর দেশের বাড়ি চট্রগ্রাম জেলায় বাঁশখালী উপজেলা গন্ডামারা ইউনিয়নে পশ্চিম বড়ঘোনা ৫নং ওয়ার্ড হাজী শিফিকুর রহমানের ছেলে।

তথ্যঃ মোঃ শরীফ উদ্দিন, দক্ষিণ আফ্রিকা

Leave a Comment

Your email address will not be published.