জুলাই ১১, ২০২০ ৯:২৩ অপরাহ্ণ
সিঙ্গাপুরে করোনাকালে লড়াই করা বাংলাদেশী ডাক্তার মুনতাসির

সিঙ্গাপুরে করোনাকালে লড়াই করা বাংলাদেশী ডাক্তার মুনতাসির

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email
সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের নিকট পরিচিত নাম ডাক্তার মুনতাসির।

সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের কাছে পরিচিত নাম ডাক্তার মুনতাসির। তিনি সিঙ্গাপুরের সেনকাং জেনারেল হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি নিজেই একদিন আমাকে ম্যাসেঞ্জারে নক দিয়ে আমার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

এরপর আস্তে আস্তে তার সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয়ে যায়। আমি তাকে একদিন বললাম, ভাই প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে একটি ভিডিও বার্তা পাঠালে আমার পেইজে পোস্ট করতাম। এতে প্রবাসীরা উপকৃত হবেন। এরপর মুনতাসির ভাই একে একে দুটো ভিডিও বার্তা আমাকে পাঠান।

ভিডিও দুটো পেইজে পোস্ট করলে প্রবাসীদের কাছে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। অনেকেই ইনবক্সে তার সাথে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। আমি তাদের নাম্বার ডাক্তার মুনতাসিরকে পাঠালে তিনি হাসপাতালের কাজ শেষ করে প্রবাসী ভাইদের সাথে কথা বলেন। তার এমন বন্ধুত্বপূর্ন আচরণ আমাকে মুগ্ধ করে। কয়েকদিন আগে সিঙ্গাপুরের জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা মাদারশিপ এসজিতে তাকে নিয়ে একটি ফিচার প্রকাশ করা হয়। সেই ফিচারের চুম্বক অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।

কোভিড -১৯ মহামারীটি প্রথম যখন সিঙ্গাপুরে শুরু হয়েছিল, ডাক্তার মুনতাসির তখন অট্রোলিয়াতে অবস্থান করছিলেন। যেখানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একজন শীর্ষস্থানীয় সার্জন এর সাথে ৬ মাসের ফেলোশিপে অংশ নিচ্ছিলেন।

মহামারীটি বিশ্বব্যাপী আরও খারাপ হওয়ার সাথে সাথে, সেনকাং জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট ডাক্তার মুনতাসির এবং তার অন্যান্য বিদেশে অবস্থানরত সহকর্মীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাদের মার্চ মাসের শেষের দিকে সিঙ্গাপুরে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়।

সিঙ্গাপুরে ফেরত আসার পর তাঁর বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার সময়, ডাক্তার মুনতাসির সিঙ্গাপুরের অভিবাসী শ্রমিকদের ডরমিটরিতে প্রথম ক্লাস্টারগুলিতে ভাইরাস এর আক্রমণের খবর পান। রাতারাতি বদলে যায় সিঙ্গাপুরের করোনা ভাইরাসের প্রেক্ষাপট। একটি বিভীষিকাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং আতঙ্কিত হয়ে উঠে এই সুন্দর শহর।

ডাক্তার মুনতাসির তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন তার কি করা উঠিত এবং কোয়ারেন্টাইনের শেষের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন যাতে তিনি কাজে ফিরে যেতে পারেন। কোয়ারেন্টাইন শেষ হবার আগেই কল আসে হাসপাতাল থেকে। তিনি শুনতে পান ফোনের ওপর প্রান্ত থেকে নির্দেশ- তুমি তো বাংলা বলো, তাই না? তুমি কখন ফিরে আসছো? আমাদের তোমার সাহায্য দরকার মাঠ পর্যায়ে ডরমিটরিগুলোতে। তিনি বুঝতে পারেন সময় এসে গেছে এবার মাঠে নামতে হবে।

কালক্ষেপণ না করে এপ্রিল মাসে, ডাক্তার মুনতাসির তার হাসপাতালের দলের সাথে নেমে পড়েছিলো শ্রমিকদের ডরমিটরিগুলোতে ভাইরাসের সংক্রামণ রোধ করতে। প্রশাসনিক কর্মচারী, চিকিৎসক, নার্স এবং সহযোগী স্বাস্থ্যসেবার মতো বিভিন্ন ভূমিকার লোকের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল এই দল। সোয়াবিং এর পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলো তারা ভয়াবহ কঠিন ছিলো এই কাজ, হাসপাতালের সুরক্ষিত পরিবেশ এর বাহিরে প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যে শুরু হয় কার্যক্রম।

প্রথম দিনগুলি খুব উদ্বেগজনক ছিল কারণ আমরা কাজ করছিলাম একেবারেই এক ভিন্ন পরিস্থিতি ও পরিবেশের মধ্যে। প্রচন্ড গরমে পিপিই পরিহিত অবস্থায় কাজ করছিলাম আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছিলো, ঘামে ভিজে জবজবে হয়ে যাচ্ছিলো আমাদের পোশাক। গড়িয়ে পড়ছিলো আমাদের জুতা পর্যন্ত। আমরা অনুভব করতে পারছিলাম অভিবাসী শ্রমিকরা বিশেষত যারা নির্মাণে কাজ করে তাদের কী অবস্থা হয়। কতই না কষ্ট করে তারা। সেই তুলনায় আমাদের জীবন কত আরাম ও আয়েশের মধ্যে কাটে।

ডাক্তার মুনতাসির বলেছেন যে, এমন অবস্থায় দলের মনোবলকে ধরে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিম লিডার এবং সিনিয়র পজিশনে থাকা লোকদের উপস্থিতি মনোবলকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে জাদুর মতো কাজ করে।

কেবল উপরের দিক থেকে নির্দেশ না দিয়ে আমাদের দলনেতারা উপস্থিত ছিলো আমাদের মাঝে যেটা আমাদের সাহস এবং উদ্দীপনার সাথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলো।

সামরিক উপমা ব্যবহার করে ডাঃ মুনতাসির ব্যাখ্যা করেছেন, আপনি যদি যুদ্ধক্ষেত্রে কোনও সৈনিকের কথা ভাবেন প্রচন্ড গোলাগুলির মধ্যে যখন ভয়ে আপনার প্রাণ বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে তখন আপনি যদি আড় চোখে দেখতে পান যে আপনি একা নন, পাশে আছে আপনার অধিনায়ক, তখন আপনার সাহস এবং মনোবল দুটোই দ্বিগুন হয়ে যাবে৷ আমাদের ক্ষেত্রে তাই হয়েছিলো।

চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি, দলগুলি কর্মীদের মধ্যে ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল, কারণ আমরা জানি যে পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার কারণে শ্রমিকরা প্রচন্ড ভয় পেয়েছিল এবং ভাষার প্রতিবন্ধকতা সবসময় ছিল। বেশিরভাগ শ্রমিকই ইংরাজী বলতে পারে না। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলো বাংলাদেশের।

তবে শ্রমিকদের সাথে যোগাযোগ করাও তার নিজস্ব চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছিল। পিপিই মুখোশ এবং গগলস পরিহিত অবস্থায় আমাদের মানুষ কম, ভিন গ্রহের বাসিন্দা বেশী মনে হয়েছিলো। আর মুখোশ এবং চশমার চেপে কথা বলতে গিয়ে প্রচন্ড বেগ পেতে হয়েছিলো। পরবর্তীকালে আমিও আমার নিজের ছবি দেখে নিজেকে চিনতে পারছিলাম না।

ডাক্তার মুনতাসির বাঙালি শ্রমিকদের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। তাদের মাতৃভাষায় কথা বলার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখতে পান। তিনি বলেছেন, যখনই আমি বাংলায় কথা বলতে শুরু করি, তাদের চোখে আনন্দ চকচক করে উঠছিলো।

তিনি যখন জিজ্ঞাসা করলেন তারা কেমন আছে? তারা বাংলায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল-  আমরা ভাল নাই, ভাই ভয়ে আছি।আমাদের কী হবে তা আমরা জানি না।

ডাক্তার মুনতাসির ও সহকর্মীরা কর্মীদের আশ্বাস দেন, যত সম্ভব আশার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন।

শ্রমিকদের সংখ্যা এতো বেশী ছিলো ওই ডরমিটরি গুলোতে যে, আমরা একবারে খুব বেশী সংখ্যক মানুষের সাথে কথা বলতে পারছিলাম না। এই কারনে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজটি চলছিলো খুব ধীরে ধীরে। আপনারা আমাদের, আমরা আপনাদের দেখে রাখবো। তাই কিছুটা জল্লনা-কল্লনার পরে ডাক্তার মুনতাসিরের দল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যোগাযোগ প্রচেষ্টাটি একেবারে ভিন্ন স্তরে নিয়ে যেতে।

ডাঃ মুনতাসির এবং তার তামিল ভাষী সহকর্মী, ডাক্তার হামিদ রহমতউল্লাহ আবাসিক ব্লকগুলিতে ঢুকে পরে মাইক হাতে নিয়ে। মাইকিং করে পৌঁছে দিতে থাকে তাদের বার্তা। বার্তাটি ছিল- আমরা আপনার জন্য এখানে আছি। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা জানি যে আপনাদের ডরমিটরিগুলোতে আপনারা অনেকেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা এখানে আপনাদের জন্য আছি এবং আমরা আপনাদের সাথেই এই ভয়াবহ পথ পাড়ি দিবো। ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

সিঙ্গাপুরের জন্য আপনারা কী করেছেন তা আমরা সবাই জানি। আপনারা আমাদের বাড়িঘর তৈরি করেছেন, আপনারা আমাদের রাস্তা তৈরি করেছেন। আপনারা আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। এইবার আমাদের পালা আপনাদের প্রতিদান ফেরত দেওয়ার।

যখন এই দুই ডাক্তার প্রতিটি বার নতুন ব্লকে পৌঁছে একই বার্তাটি পুনরাবৃত্তি করছিলো, প্রতিটি পুনরাবৃত্তির সাথে সাথে তাদের কণ্ঠে উৎসাহ এবং আবেগ বেড়েই চলছিলো। একটা সময় ডরমিটরির বারান্দাগুলোতে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিক ভাইয়েরা প্রচন্ড হাততালিতে ভেঙ্গে পড়ে৷ এটি সত্যিই একটি যাদুকরি মুহূর্ত ছিল। আমরা ভাষার বাধা ভঙ্গ করে তাদের কাছে আমাদের আশা এবং অঙ্গীকার পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলাম।

ডাক্তার মুনতাসির বাংলায় শ্রমিকদের সাথে কথা বলার একটি ভিডিও এসকেএইচ ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছিলো এবং ৮ হাজারের বেশি বার শেয়ার করা হয়েছিলো সিঙ্গাপুরে।

যদিও ডাঃ মুনতাসির এখন বেশিরভাগ হাসপাতালে কাজে নিয়োজিত আছেন। বাকি সময় তিনি একটি দলের সাথে আছে যারা ডরমিটরির সার্বিক অবস্থা যোগাযোগ ও অনুবাদ কাজ পরিচালনা করতে সহায়তা করে। তিনি যখন প্রয়োজন হয় তখন ডরমিটরি গুলিতে ফিরে যান অভিবাসী কর্মীদের দলগুলির সাথে দেখা করার জন্য, কখনও কখনও পরামর্শের উদ্দেশ্যে এবং অন্যান্য সময় তাদের জন্য কী করা হচ্ছে সে সম্পর্কে তথ্য প্রেরণ করতে।

যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি যখন ডরমিটরিতে যান, তখন আপনাকে শ্রমিক ভাইয়েরা চিনতে পারে কী?

তিনি লাজুকভাবে উত্তর দিয়েছিলেন, আজকাল যখন আমি ডরমিটরিতে যাই, তখন দেখি আমাকে অনেকেই চিনে ফেলেছেন৷ তিনি আরও বলেন,আমি পরিচিতি কিংবা স্বীকৃতি চাই না। এটা করতে আমার ভালো লাগে বলেই করছি। যখন কেউ বলে- ভাই আপনি আসছেন বলে মনে সাহস পাচ্ছি। সেটা শুনে আমার মন ভরে যায়।

একবার কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত একজন শ্রমিক ডাক্তার মুনতাসিরকে বলেছিলেন যে, তিনি সুস্থ থাকা সত্যিই ভয় পাচ্ছেন যে তিনি তার পাঁচ বছরের কন্যাকে আর কখনও দেখতে পাবেন না। ভয় এমন একটা জিনিস যার আক্রমণ এর ফলে মানুষ হতাশার দিকে ধাবিত হয়। এটি এক ভয়ংকর শত্রু, একজন বাবা হিসাবে আমি বুঝতে পারছি তার মনের অবস্থা। আমি যখন পার্থে ছিলাম এবং সীমান্তগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল তখন আমারও একই ভয় ছিল।

ডাক্তার মুনতাসির দুই সন্তানের জনক। মাদারশিপের প্রশ্নের জবাবে ড.মুনতাসির বলেছেন- একজন ডাক্তার হিসেবে বাবার দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করা সহজ নয়৷ পৃথিবী যখন এই মহা বিপর্যয়ের সম্মুখীন, আমি দোয়া করি জেনো আমার সন্তানেরা সাহসী মানুষ হয়ে বেড়ে উঠে। দশ বছরের ছেলে এবং পাঁচ বছরের কন্যার বাবা তিনি। আদর করে তিনি তার ছেলেকে “রাজপুত্র” এবং মেয়েকে “রাজকন্যা” বলে ডাকেন। তার চিকিৎসা জীবনে কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়েছে পরিবারের সঙ্গ ছাড়া।

ডাঃ মুন্তাসির বলেন, আমার বাচ্চারা যখন আমার জীবনে এসেছিল, তখনও আমি বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলাম। অনেক দিন এরকম হতো যে আমি কাজ থেকে দেরি করে ঘরে ফিরে এসে দেখতাম যে বাচ্চারা আমার জন্য অপেক্ষা করতে করতে আর না পেরে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি আবার যখন খুব ভোরে উঠে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে যেতাম, তখন আমার ছোট বাচ্চা দুটো ঘুমে বিভোর। তাদের সাথে কোন কথোপকথন ছাড়াই মাঝে মাঝে অনেক গুলো দিন পার হয়ে যেতো।

এই কোভিড -১৯ মহামারী চলাকালীন সময়ে, তাঁর কাজ হয়ে গিয়েছিলো আরো জটিল এবং সময়সাপেক্ষ, যখন তিনি মাঠ পর্যায়ে ক্লাস্টারগুলির থেকে রোগ সংক্রামণ ঠেকানোর জন্য তার হাসপাতালের টীম এর সাথে নেমে পড়েছিলেন আটঘাট বেঁধে এবং সোয়াবিং এবং চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা ভাষাভাষীদের আস্বস্ত করেছিলো আমাদের বাংলাদেশী শ্রমিক ভাইদের৷ তথ্য দিয়েছিলো এবং দিক নির্দেশনা দিয়েছিলো এই মহামারীর সম্পর্কে।

মাদারশীপ ডট এসজির সাক্ষাৎকার জুড়েই তিনি বারবার একটা জিনিসের তাৎপর্য তুলে ধরেছেন যেটি হলো, অবস্থা যতই প্রতিকূল হোক না কেনো, আল্লাহর মেহেরবানী, একতা এবং সবার স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে জয় ছিনিয়ে আনা যায়।

 

  • ওমর ফারুক শিপন, সিঙ্গাপুর। 

শেয়ার করুন

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email
বাংলাদেশে করোনায় নতুন সনাক্ত ২ হাজার ৬৮৫ জন; মৃত্যু ৩০
কাজাখস্তানে নতুন ‘নিউমোনিয়া’; মৃত্যুহার করোনার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি!
জমজমাট লড়াইয়ে শুরু হলো ‘পরবাসী তারা’ সিজন-১ এর ফাইনাল!
চিংড়ির প্যাকেটে করোনা সনাক্ত; ইকুয়েডরের সাথে খাদ্য আমদানি নিষিদ্ধ করলো চীন!
সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ফিরলেন ৪১২ বাংলাদেশি
জমজমাট লড়াইয়ে শুরু হলো ‘পরবাসী তারা’ সিজন-১ এর ফাইনাল!
এবারের হজে কি কি বিধিনিষেধ মানতে হবে হাজীদের?
করোনায় মারা যাওয়া প্রবাসীদের ৩ লাখ টাকা ‘ক্ষতিপূরণ’ দেওয়ার ঘোষণা!
দুনিয়া দেখি ‘প্রবাস কথা’য়
1
ডেনমার্কে রাজার বাড়ি ‘ফ্রেডরিকসবর্গ প্রাসাদ’
ডেনমার্কে রাজার বাড়ি ‘ফ্রেডরিকসবর্গ প্রাসাদ’
2
১২ তলা জাহাজে ডেনমার্ক থেকে নরওয়ে
১২ তলা জাহাজে ডেনমার্ক থেকে নরওয়ে
3
ইতালীর অপরূপ ভাল দি ফুনেস। চোখ ধাঁধিয়ে দেয়ার মতো সুন্দর জায়গা
ইতালীর অপরূপ ভাল দি ফুনেস। চোখ ধাঁধিয়ে দেয়ার মতো সুন্দর জায়গা
4
প্রবাস কথা থিম সং
প্রবাস কথা থিম সং
5
ইতালিতে ভিন্ন পরিবেশে গানের আয়োজন
ইতালিতে ভিন্ন পরিবেশে গানের আয়োজন
6
ফিনল্যান্ড । বরফের রাজ্যে যখন রোদ হাসে
ফিনল্যান্ড । বরফের রাজ্যে যখন রোদ হাসে
Scroll to Top
দেশভিত্তিক সংবাদ