হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এর সাথে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কির তীব্র বাগবিতণ্ডায় তোলপাড় সারাবিশ্ব। ইউক্রেনের বিরল খনিজ সম্পদ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। এর বিনিময়ে আমেরিকার কাছ থেকে ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি। কিন্তু হোয়াইট হাউসে একটি বিরল ঘটনা সরাসরি দেখল সারা বিশ্ব। শুধু হোয়াইট হাউস নয়, খুব দ্রুত আমেরিকাই ত্যাগ করতে হলো জেলেনেস্কিকে। চুক্তি হলো না, দুপুরের লাঞ্চ হলো না, দুই প্রেসিডেন্টের একসাথে সংবাদ ব্রিফিং হলো না।
এরপর জেলেনেস্কি সরাসরি চলে যান যুক্তরাজ্যে। সেখানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আন্তরিকভাবে স্বাগত জানালেন তাকে। জেলেনেস্কিকে আশ্বস্ত করে বললেন- আমরা ইউক্রেনের সাথে আছি। এর উত্তরে জেলেনেস্কিও প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের শুরু থেকে সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।

আগামীকাল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি রাজা চার্লস এর সাথে দেখা করবেন বলে জানা গেছে।
এদিকে হোয়াইট হাউসের অস্বস্তিকর ঘটনার পর ইউরোপের বেশিরভাগ দেশীই প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কির প্রতি নৈতিক সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তারা ইউক্রেনকে ছেড়ে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। ইউরোপের বাইরে অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ আরও অনেক দেশই ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তবে আমেরিকার সাথে ইউক্রেনের সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হবে কী না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
এর পরিণতিতে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধেও বেকায়দায় পড়তে যাচ্ছে ইউক্রেন- এমনটাই আশংকা বিশেষজ্ঞদের।