লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, পাওনা টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে ফাঁকা বাড়িতে ওই গৃহবধূর হাত বেধে গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের উত্তর হামছাদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া হৃদয় নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নাহিদুল ওই গ্রামের জাফর আহমেদ পরান ভূঁইয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ তার প্রতিবেশী।
ভুক্তভোগী জানান, তার স্বামী দেশে থাকাকালীন নাহিদুলের কাছ থেকে এক হাজার টাকা ধার নেয়। ওই টাকা পরিশোধ করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশু সন্তানকে নাহিদুলের বাড়িতে যান তিনি। স্ত্রী ঘরে আছে বলে ওই যুবক ভুক্তভোগীকে কৌশলে তাকে ঘরে ডেকে নেয়। ঘরে ঢুকতেই নাহিদুল ওই গৃহবধূর পেছন থেকে মুখ চেপে ধরে ধাক্কা দিয়ে খাটের ওপর ফেলে দেয়। পরে ওই নারীর হাত বাধে। একপর্যায়ে গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এর মধ্যে ভুক্তভোগীর শিশুটি কান্না করে উঠলে তাকে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে নাহিদুল। এ সুযোগে হাতের বাধ খুলে ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে ওই গৃহবধূ। একপর্যায়ে বাড়ির উঠান পর্যন্ত গেলেও তাকে নাহিদুল ধরে ফেলে ও মারধর করে। তখন ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এলে নাহিদুল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগী মামলা করলে তাকে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, ‘অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী মামলা করেছেন।’