বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

সবশেষ

পাচারকারীদের মাধ্যমে লিবিয়ায় ঢুকে হয়রানির শিকার কিছু বাংলাদেশি; লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রী

লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রী প্রকৌশলী আলী আবেদ আল-রেদা বলেছেন, অবৈধ অভিবাসনের ফলে লিবিয়ায় বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ২৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রী আরো বলেন-
কিছু বাংলাদেশি অভিবাসী পাচারকারীদের মাধ্যমে অবৈধভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করে জটিলতা ও হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছেন, যা শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় কেবলমাত্র বৈধভাবে প্রবেশ করা কর্মীদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি, লিবিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন পেশার শ্রমিকদের নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে বৈধতা দেওয়ার জন্য তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
বৈঠকে লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মহাপরিচালক এবং দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন-
এই প্রতিশ্রুতিতে বাংলাদেশ লিবিয়ার সাথে জনশক্তি সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে, যার আওতায় বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু স্বাস্থ্য পেশাজীবী, উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী, অডিটর, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ লিবিয়ায় নিয়োগ পেয়েছেন। এসব জনশক্তি লিবিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন।
রাষ্ট্রদূত লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত বাংলাদেশি স্বাস্থ্য কর্মীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং মিসরাতায় একটি কোম্পানির শ্রমিকদের বকেয়া আদায়ে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *