ট্রাম্প সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর ভেনেজুয়েলাবাসীকে বিনা মূল্যে ইন্টারনেট দিচ্ছে স্টারলিংক
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে `অপরাধীকে জনসমক্ষে হাঁটিয়ে নেওয়ার মতো’ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউসের সরকারি র্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্ট। খবর সিএনএনের।
ভিডিওটির ওপর ‘র্যাপিড রেসপন্স ৪৭’ লিখেছে, ‘পার্প ওয়াক (অপরাধীকে জনসমক্ষে হাঁটিয়ে নেওয়া) করানো হলো।’ ভিডিওতে দেখা যায়, কালো হুডি পরা অবস্থায় মাদুরো একটি করিডোর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। সেখানকার নীল রঙের কার্পেটে ‘ডিইএ এনওয়াইডি’ (মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা-ডিইএ, নিউইয়র্ক বিভাগ) লেখা রয়েছে।
ভিডিওটিতে মাদুরোকে সেখানে উপস্থিত এক ব্যক্তিকে ‘শুভ নববর্ষ’ বলে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়।
ভেনেজুয়েলার জনগণকে বিনা মূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিসেবা দেওয়ার কথা জানিয়েছে স্টারলিংক। বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এটা।
লাতিন আমেরিকার দেশটিতে ‘বড় পরিসরে’ মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিয়ে আসার পর স্টারলিংক এ ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে স্টারলিংক জানায়, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার জনগণকে বিনা মূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবায় প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। অর্থাৎ, ভেনেজুয়েলাবাসী বিনা মূল্যে স্টারলিংকের নির্বিঘ্ন সংযোগ পাবেন।
ভেনেজুয়েলায় স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার শেষরাতে মার্কিন বাহিনীর হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক মূল্যায়নের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভেনেজুয়েলার এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। কারাকাস বিমানবন্দরের পশ্চিমে অবস্থিত উপকূলীয় এলাকা কাতিয়া লা মার-এর একটি তিনতলা আবাসিক ভবনে মার্কিন যুদ্ধবিমান হামলা চালায়।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রোজা গঞ্জালেজ নামে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। ওই হামলায় আরও এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
উইলম্যান গঞ্জালেস নামে এক ব্যক্তি ওই হামলায় আহত হয়েছেন এবং তাঁর বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি এখন কোথায় যাবেন। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না’।
ওই ব্যক্তির ৭০ বছর বয়সী প্রতিবেশী জর্জ নামের এক ব্যক্তি টাইমসকে বলেন, এই বিমান হামলায় তিনি সবকিছু হারিয়েছেন।








