বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

সবশেষ

হোটেলকর্মী গ্রেপ্তার দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যায়

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নামে এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মিলন। তিনি হোটেলকর্মী।

আজ সোমবার সকালে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে গত শনিবার রাতে একটি মামলা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক ধারণা, ফাঁকা বাসায় লুটপাট করতে গিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। মেয়েটি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

পুলিশের খিলগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার কায়েস ইকবাল প্রথম আলোকে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গত শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছিলেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

খিলগাঁও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার (১৭) বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ চালান।

দুই দিন আগে ফাতেমার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় ফাতেমা ও তার বোন ছিলেন। ঘটনার দিন বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে বাসায় ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। তখন বাসায় আর কেউ ছিল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *