কুয়েতের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণে দেশটির সরকার আবারও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অন্তত ৩,৫০০ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পরপরই আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ।মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে কুয়েতি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে দেশটির সকল গভর্নরেটে একযোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।মূলত অবৈধভাবে অবস্থানকারী শ্রমিক, কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া কর্মী এবং অভিবাসন আইন অমান্যকারীদের এই তালিকায় রাখা হয়েছে।শ্রমবাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, জননিরাপত্তা রক্ষা এবং অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
কুয়েত কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরেই অবৈধ অভিবাসীদের ব্যাপারে ‘শূন্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং দেশের আইন অনুযায়ী অভিবাসন প্রক্রিয়া সচল রাখতেই এই ধরনের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই দেশটিতে অবৈধভাবে থাকা হাজার হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার।








