বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর নাজমুল ইসলামের মন্তব্যকে শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেছেন।
নাজমুলের এমন মন্তব্যে আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু ডেইলি সানকে বলেন, ‘তিনি কি আদৌ বোঝেন তিনি কী বলছেন? ২ হাজার ৫০০ ডলার আসলে কত টাকা, সেটাই তিনি জানেন না। বিশ্বের সেরা ১০ জন আম্পায়ারের একজন বাংলাদেশের এলিট প্যানেল আম্পায়ার। তাকে আপনি কত দেবেন? ২০০ টাকা?’
ক্রিকেটাঙ্গনে নাজমুল ইসলাম পরিচিত হয়ে উঠেছেন ‘কোকোনাট নাজমুল’ নামে। ক্রিকেটারদের জন্য নারকেল বরাদ্দকে ‘অতিরিক্ত খরচ’ আখ্যা দিয়ে আগেও বিতর্ক জড়ান তিনি। এবার আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি নিয়ে মন্তব্য করে আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাজমুল বলেন, ‘দুই বছর আগে আম্পায়ারের ম্যাচ ফি ছিল ৭০০ ডলার, এখন তা ২ হাজার ডলার হয়েছে। এই ধরনের বৃদ্ধি অস্বাভাবিক। বাড়ানো যেতে পারে, তবে সেটারও একটি সীমা থাকা উচিত।’
এখানেই থামেননি তিনি। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সরঞ্জাম কেনা নিয়েও প্রশ্ন তুলে নাজমুল বলেন, ‘একটি জুতার দাম ৩০ হাজার টাকা দেখানো হচ্ছে। এই টাকা সত্যিই খরচ হয়েছে, নাকি সরাসরি দেওয়া হয়েছে, আমি জানি না। তবে বোর্ডের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।’
এর আগে বিপিএল চলাকালে ক্রিকেটারদের হেয় করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেন নাজমুল ইসলাম। একপর্যায়ে ক্রিকেটাররা বিপিএল বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। সেই প্রেক্ষাপটে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও গত মাসের শেষ দিকে এক বোর্ড সভায় রহস্যজনকভাবে আবারও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনা হয়।
এই সিদ্ধান্তে ক্রিকেটারদের মধ্যে নতুন করে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কোয়াব সভাপতি তখন বাংলানিউজকে বলেছিলেন, ‘বিসিবি আমাদের সামনে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এখন যদি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করা হয়, তাহলে আমাদের বলার কিছু থাকে না। এই সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অত্যন্ত শকিং।’







