ভোট নিয়ে বিরোধের জেরে সংখ্যালঘু পল্লীতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে নির্বাচনী উত্তেজনা চলাকালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, আসন্ন নির্বাচনে ভোট প্রদান ও সমর্থন নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা এই তাণ্ডব চালিয়েছেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে স্থানীয় একজনকে বলতে শোনা যায়, বিএনপির প্রার্থী মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দীর ছোট ভাইয়ের একটি প্রাইভেট কার বিকল হয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। গাড়িটি মেরামত করার সময় জামায়াতের একদল কর্মী মোটরসাইকেলে এসে সেখানে আক্রমণাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। ওই সময় স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বাধা দিতে এগিয়ে এলে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হন এবং বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেন।
আরও একজনকে বলতে শোনা যায়, আফেন্দীর ছোট ভাই তো ভোট চাইতে আসেনি, তারপরও তাদের সঙ্গে কেন এমন আচরণ করা হয়েছে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে। এখনই জামায়াতে এমন আচরণ ভোটে জিতলে কি করবে?
বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
আরও একজন বলেন, সংখ্যালঘুরা কাকে ভোট দিবে এটা তাদের সিদ্ধান্ত। জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাদের ওপর এই প্রতিহিংসামূলক হামলা চালানো হয়েছে।এখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বাধ্য করতে চাইছে তাদেরকে ভোট দিতে।
স্থানীয় আরও একজন বলেন, জামায়াত নেতা-কর্মীরা যেভাবে আজকে আমাদের ওপর হামলা চালালো, বাড়িঘরে আগুন দিলো, এখন আমরা পরিবারসহ সবাই আতংকিত। আমরা সাহায্য চাইছি।তাদের দাবি, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে এই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রওশন কবির ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজিবি নিয়ে পৌঁছান এবং উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশ দেন।








