রোম-এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬’ উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও চেতনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
দিবসের কর্মসূচি শুরু হয় ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে। রোমের আইজাক রবিন পার্কে স্থাপিত স্থায়ী শহিদ মিনারে দূতাবাসের কর্মকর্তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয় এবং সেখানে স্থাপিত অস্থায়ী শহিদ মিনারেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
আলোচনা সভায় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও ইতালীয় নাগরিকেরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পাশাপাশি ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনের সভাপতির ভিডিও বার্তা এবং মহাসচিবের বাণীও পাঠ করা হয়।
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অমর একুশের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের প্রত্যয় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ইউথ ভয়েস অন মাল্টিলিঙ্গুয়াল এডুকেশন’-এর প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্যান্য ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। অমর একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।
সভায় অংশ নেওয়া প্রবাসী নেতারা অমর একুশকে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের নতুন পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান।







