রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেখানে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস মর্যাদার সঙ্গে পালনের লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়েও আলোচনা হয়।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখতে ২৫ মার্চ রাতে কোথাও কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসেও আলোকসজ্জা না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ২৫ মার্চের গণহত্যার ইতিহাস তুলে ধরা হবে।
এ ছাড়া দুপুর ১২টা থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণহত্যা বিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ওইদিন সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। ২৫ মার্চ জোহরের নামাজের পর অথবা সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে এই প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দিবসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়েছে।








