জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ পুনর্গঠনকে ঘিরে দলটির ভেতরে জোর আলোচনা চলছে। সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব আনার লক্ষ্যেই নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দলীয় হাইকমান্ড। এ অবস্থায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পদে কয়েকজন ছাত্রনেতার নাম আলোচনায় এসেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়েই নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হতে পারে।
সভাপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদের বর্তমান সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফর। দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সংগঠনের তৃণমূলের একটি অংশের কাছে তিনি পরিচিত মুখ। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আন্দোলনেও তার অংশগ্রহণের বিষয়টি দলীয় মহলে আলোচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা এবং সাংগঠনিক কাজের অভিজ্ঞতার কারণে তিনি আলোচনায় রয়েছেন।
এছাড়া নেতৃত্বের দৌড়ে রয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল মালুম। বিগত সময়ের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তার ভূমিকা তাকে আলোচনায় রেখেছে।
সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানও সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার কারণে তার নামও আলোচনায় এসেছে।
সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেলের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছে। দলীয় সংকটের সময় সক্রিয় ভূমিকা এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাকে সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রাখা হচ্ছে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়া বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানও নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তার বিষয়টি দলীয় আলোচনায় এসেছে।
তবে ছাত্রদলের নতুন কমিটির শীর্ষ পদে কারা আসছেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয় হাইকমান্ড শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।








