সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সবশেষ

তাইওয়ানের চারপাশে আবারও বড় পরিসরে সামরিক মহড়া চীনের

প্রায় দুই সপ্তাহের বিরতির পর তাইওয়ানের চারপাশে আবারও ব্যাপক হারে সামরিক বিমান মোতায়েন শুরু করেছে চীন। হঠাৎ করে এই বিরতি এবং পরে আবার সামরিক তৎপরতা বাড়ানোকে ঘিরে তাইপেতে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।চীনে

রোববার (১৫ মার্চ) তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ২৬টি চীনা সামরিক বিমান শনাক্ত করেছে। এর বেশিরভাগই তাইওয়ান প্রণালি এলাকায় সক্রিয় ছিল। এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি সেখানে ৩০টি চীনা বিমান দেখা গিয়েছিল, যাকে যৌথ যুদ্ধ প্রস্তুতি টহল হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত কার্যত কোনো চীনা সামরিক বিমান ওই এলাকায় দেখা যায়নি। পরবর্তী সময়ে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেলেও সাম্প্রতিক এই বড় উপস্থিতি নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

এ বিষয়ে বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে ১৪ মার্চ রাতে চীনের তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে। ওই বক্তব্যে তিনি প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো এবং গণতন্ত্র রক্ষার ওপর জোর দিয়েছিলেন।

চীনা এক মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, লাই চিং-তে যেন ভুল হিসাব না করেন। তাদের দাবি, বেপরোয়া কোনো পদক্ষেপ নিলে এর দায় তাইওয়ানকেই বহন করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক তৎপরতায় এই বিরতির পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য চীন সফরের আগে কৌশল পুনর্বিন্যাস অথবা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সেনাবাহিনীতে চলমান শুদ্ধি অভিযানও একটি কারণ হতে পারে।

এদিকে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কো জানিয়েছেন, আকাশপথে তৎপরতা কিছুটা কমলেও চীনা যুদ্ধজাহাজ এখনও দ্বীপটির আশপাশে অবস্থান করছে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি পুরোপুরি কমেনি।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *