বারদেমের পরনে থাকা টাক্সিডোতে ‘যুদ্ধকে না বলুন’ এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থনের দুটি পিন শোভা পাচ্ছিল। ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের হস্তক্ষেপ নিয়ে চলমান জনরোষের মধ্যেই বারদেমের এই বলিষ্ঠ অবস্থান সামনে এল।
এর আগে, এবারের এমি অ্যাওয়ার্ডসের রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে ‘ভ্যারাইটি’ ম্যাগাজিনের সঙ্গে আলাপকালে এই বিষয়ে নিজের আবেগের কথা জানিয়েছিলেন বারদেম।
তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আজ গাজায় চলমান গণহত্যার নিন্দা জানাতে এখানে দাঁড়িয়েছি। আমি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস (আইএজিএস)-এর কথা বলছি, যারা এই পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পর একে গণহত্যা হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেই কারণেই এই গণহত্যা থামাতে আমরা ইসরায়েলের ওপর বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক অবরোধ এবং কঠোর নিষেধাজ্ঞার দাবি জানাই। ফিলিস্তিনকে স্বাধীন করো।’
গত ফেব্রুয়ারিতে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে গাজা ইস্যুতে আয়োজকদের ‘নীরবতার’ সমালোচনা করে ১০০ জনেরও বেশি তারকার সই করা এক খোলা চিঠিতে বারদেমও যুক্ত ছিলেন।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, ‘চলচ্চিত্র কর্মী হিসেবে আমরা প্রত্যাশা করি আমাদের শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা এই ভয়াবহ সহিংসতার সহযোগী হতে অস্বীকার করবে। গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার বিরোধিতা করা শিল্পীদের সেন্সর করার বিষয়ে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবের ভূমিকা এবং এতে জার্মান রাষ্ট্রের নেতিবাচক অবস্থানে আমরা হতাশ। প্যালেস্টাইন ফিল্ম ইনস্টিটিউট যেমনটি বলেছে, এই উৎসব চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং তদন্তের ক্ষেত্রে ফেডারেল পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করছে।’








