গত শুক্রবার মিয়ামিতে সৌদি সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের বার্ষিক ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। এই সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত চলছিল, যার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সৌদি স্থাপনাগুলোও হামলা শিকার হয়।
তার বক্তব্যে ট্রাম্প ৯০ বছর বয়সী সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সউদের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “আমি সৌদি আরবের রাজাকে ভালোবাসি। তিনি অসাধারণ একজন মানুষ। আমি যখন সেখানে গিয়েছিলাম, আমাদের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে।” তিনি আরও বলেন, একবার রাজা তাকে ওঠার সময় হাত ধরে সাহায্য করেছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, “তারা বলেছিল, তিনি এর আগে কখনো কাউকে এভাবে ধরেননি। আমি বলেছিলাম, মনে হয় তিনি আমাকে পছন্দ করেন। তিনি সত্যিই আমাকে পছন্দ করতেন, এখনো করেন। তিনি খুব ভালো মানুষ, আর তার ছেলেও চমৎকার।”
ট্রাম্প বলেন, “তিনি ভাবেননি এটা ঘটবে। তিনি ভাবেননি যে তাকে আমার পেছনে ঘুরতে হবে… তিনি ভেবেছিলেন আমি আরেকজন ব্যর্থ আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হবো, যার সময়ে দেশ নিচের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এখন তাকে আমার সঙ্গে ভালো আচরণ করতেই হচ্ছে।”
এর আগে ট্রাম্প এ সপ্তাহেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে উৎসাহ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “তিনি একজন যোদ্ধা। তিনি আমাদের সঙ্গে লড়াই করছেন।”
গত মঙ্গলবার নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, সৌদি যুবরাজ ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল অভিযানে অব্যাহত থাকতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং এটিকে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠনের একটি “ঐতিহাসিক সুযোগ” হিসেবে দেখেছেন। সূত্রের বরাতে বলা হয়, তিনি মনে করেন ইরানের সরকারকে কেবল শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের মাধ্যমেই সরানো সম্ভব।
সূত্র: আরটি








