আজ সোমবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সামরিক অভিযানে গুরুতর আহত হওয়ার পর তিনি মারা গেছেন। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সির।
আইআরজিসি জানায়, শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পাল্টা হামলার পর প্রতিরক্ষা অবস্থান জোরদারের সময় তিনি আহত হন। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপপুঞ্জে প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার অভিযানের সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন।
সংগঠনটি তাংসিরিকে ‘নিবেদিতপ্রাণ ও নিরলস কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করে জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘আল্লাহর পথে’ সংগ্রাম করে আসছিলেন।
আইআরজিসি বলেছে, ইরানি জাতি এ ধরনের ‘শহীদত্বে’ অভ্যস্ত এবং অতীতে যেমন রুহুল্লাহ খোমেনির ও আলি খামেনির মতো নেতাদের মৃত্যুর পরও তাদের আন্দোলন থেমে থাকেনি, তেমনি ভবিষ্যতেও এই পথ আরও শক্তভাবে অব্যাহত থাকবে।
সংস্থাটি আরও জানায়, তাংসিরির অনুপস্থিতিতেও আইআরজিসি নৌবাহিনী সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শক্ত অবস্থান ধরে রেখে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী এলাকায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং শত্রুর ওপর “কঠোর আঘাত” হানছে।
বিবৃতিতে অতীতের বিভিন্ন অভিযানের কথাও তুলে ধরা হয়, যেখানে আইআরজিসি নৌবাহিনী সুপারপাওয়ারের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো, ট্যাংকার এসকর্ট মিশন ব্যাহত করা, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস এবং বিদেশি সেনা আটক করার দাবি করে।








