সৌদি আরবে জীবিকার সন্ধানে থাকা আনোয়ার হোসেনের (৪৮) মৃত্যুতে ঝালকাঠির রাজাপুরে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোক। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তার স্ত্রী জেসমিন বেগম। সৌদি আরবের হাইল শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার ছয় দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আনোয়ার। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর হাইল শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন আনোয়ার হোসেন। তাকে উদ্ধার করে কিং খালিদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৬ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার ছয় দিন পর মৃত্যু
আনোয়ার হোসেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রা পাশা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মনসুর হোসেন। জীবিকার জন্য সৌদি আরবের হাইল শহরে কাজ করতেন তিনি।
দুর্ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। মৃত্যুর খবর ১৮ অক্টোবর রোববার সকালে দেশে পৌঁছালে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোক ছড়িয়ে পড়ে।
মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার
আনোয়ারের মৃত্যুর পর স্ত্রী জেসমিন বেগম এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
জেসমিন বেগম জানান, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর জানাজার সময়সূচি জানানো হবে।
তবে মরদেহ দেশে ফিরতে কত দিন লাগবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানা যায়নি। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এবং এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।
খোঁজ নেওয়ার কথা পুলিশের
রাজাপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি তারা জানতে পেরেছে। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে থানা কর্তৃপক্ষ।
আনোয়ারের মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া, দুর্ঘটনার পরিস্থিতি এবং পরিবারের পরবর্তী সহায়তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।








