বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত আমরা কোনো চাঁদাবাজি করিনি, কোনো দখলদারি করিনি এবং কোনো দুর্নীতিও করিনি। এমনকি আমরা কারো ওপর ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নেইনি বা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করিনি। আমরা চেয়েছি একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গঠন করার জন্য জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদদের আমানত রক্ষার অঙ্গীকার করে শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ আবু সাঈদ এবং তার সঙ্গীরা জীবন দিয়ে আমাদের ঋণী করে গেছেন। তারা যে দায়িত্বের আমানত আমাদের ঘাড়ে রেখে গেছেন, তা রক্ষা করতে আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত।তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদরা বুক পেতে দিয়েছিল দেশের জন্য, আমরাও ঐভাবে বুক পেতে দিতে রাজি আছি, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান কারো কাছে বন্ধক রাখব না।’
১০ দলীয় জোট ও প্রার্থীর ঘোষণা বিভেদ ভুলে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, ‘আমরা জাতিকে বিভক্ত করতে দেব না। এই বিভক্তির অবসান ঘটাতেই আমরা ১০টি দল একত্রিত হয়েছি।”
এ সময় তিনি রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে ১০ দলের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও মুফাসসিরে কোরআন মাওলানা নুরুল আমিনকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাকে দেশবাসীর কাছে ‘আমানত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের শেষে তিনি শহীদ আবু সাঈদের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান। শহীদ পরিবারের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সুযোগ-সুবিধা হলো আমরা তাদের আমাদের মাথার তাজ করে রাখব। এটা মুখের কথা নয়, বুকের কথা।’ এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।








