ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা মঙ্গলবার স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার আগেই এই জাদুঘর ঘুরে দেখেন তারা।
সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কূটনীতিকদের জাদুঘরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরিয়ে দেখান এবং এর পটভূমি তুলে ধরেন।
এ সময় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করবে।
তিনি বলেন, “এই জাদুঘরের মূল উদ্দেশ্য শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিশ্বের কোথাও যেন এ ধরনের দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে-সেই শিক্ষা তুলে ধরা।”
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত ও ডেলিগেশনের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, “জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি অনুপ্রেরণাদায়ক এবং একই সঙ্গে ইতিহাস বোঝার গুরুত্ব, গণঅভ্যুত্থানের প্রক্রিয়া ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের উৎস সম্পর্কে শক্তিশালী বার্তা দেয়।”
অনুষ্ঠানে আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ডেনমার্ক, মিশর, ফ্রান্স, ইরান, ইরাক, ইতালি, কসোভো, লিবিয়া, মরক্কো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও ব্রুনাই দারুসসালামের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।








