কড়াকড়ি ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে আবেদন সংখ্যা তুলনামূলক কম জমা পড়ায়, এবার যোগ্য আবেদনকারীদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
তিন বছর মেয়াদি এই ভিসা কর্মসূচিতে বিভিন্ন খাতে শ্রমিক ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। সিজনাল বা মৌসুমী কাজ—বিশেষ করে কৃষি ও পর্যটন খাতে ৮৮ হাজার, নন-সিজনাল খাতে ৭৬ হাজার ২০০ এবং স্বনির্ভর কাজের জন্য ৬৫০ জন শ্রমিকের কোটা নির্ধারণ করা হয়।
গত ১২ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধাপে ধাপে আবেদন গ্রহণ বা ‘ক্লিক ডে’ অনুষ্ঠিত হয়। তবে শেষ দিনে ডোমেস্টিক বা গৃহস্থালি কাজের জন্য আবেদনের চাপ ছিল তুলনামূলক বেশি।
তাদের ভাষ্য, এবারের আবেদন প্রক্রিয়া ছিল বেশ কঠিন। সঠিক নিয়ম মেনে যারা আবেদন করেছেন, তারা সাফল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
যদিও ভিসা পাওয়ার সুযোগকে পুঁজি করে দালাল চক্র যেন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে—এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ দিকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী এক লাখ ৬৫ হাজার শ্রমিকের জন্য আগাম ফরম পূরণের প্রক্রিয়াও শুরু হতে যাচ্ছে।








