রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘৪০ লাখ টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি’ নিয়ে ভারত যান মাহদী হাসান

বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানকে ঘিরে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া ঘটনা নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।ভারতের রাজধানীতে অবস্থানকালে তার কাছে বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার সম্ভাবনা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সতর্কতা বৃদ্ধি করেছে।

মাহদী হাসান গত মঙ্গলবার কনট প্লেসে একটি ভিসা প্রসেসিং সেন্টারে পর্তুগালের ভিসার জন্য আবেদন করতে যান। সেই সময় কেউ তাকে শনাক্ত করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসে।

বিবিসি বাংলার সঙ্গে কথা বলা দুটি সূত্র জানায়, হাসান ভবিষ্যৎ খরচের জন্য ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্রিপ্টোকারেন্সি সঙ্গে এনেছিলেন। তবে অন্য একটি সূত্র পরিমাণ নিশ্চিত করতে পারেনি।

সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও মাহদী হাসানের কাছে অজানা নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে। এরপর পরিস্থিতি জটিল হয়ে গেলে তিনি পাহাড়গঞ্জের হোটেল ছাড়েন এবং বিমানবন্দর সংলগ্ন অন্য একটি হোটেলে ওঠেন। রাতেই তার জন্য দিল্লি-ঢাকা ইন্ডিগো ফ্লাইটের টিকিট পৌঁছে দেওয়া হয়।

নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর নজরদারি মূলত তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। একটি সূত্র বলেছে,প্রথমত, সে ভারতবিরোধী মন্তব্য করেছে। দ্বিতীয়ত, একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করেছে। তৃতীয়ত, ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করেছে। এই তিনটি পয়েন্টই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

বুধবার সকালে ঢাকার জন্য ফ্লাইট ধরার সময় মাহদী হাসানকে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা চেকিং লাইনে থেকে প্রায় আধঘণ্টা জেরা করা হয়। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, তাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়নি।

বাংলাদেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে মাহদী হাসান অভিযোগ করেন, আমাকে এসএডি লিডার, বৈষম্যবিরোধী নেতা বলে আটক করা হয়েছিল। আমাকে প্রচণ্ড হ্যারাস করা হয়েছে। আমি ফুল লাইফ রিস্কে ছিলাম। ক্রিপ্টোকারেন্সি বহনের বিষয়টি তিনি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, ‘গুজব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *