বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়নের ৫টি মহল্লাদার পদে নিয়োগের জন্য আবেদনকারী প্রার্থীদের প্রথমে শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর মেধা যাচাই হিসেবে ১৫ মিনিট সময় দিয়ে জাতীয় সংগীত লিখতে বলা হয়। তবে কেউই নির্ধারিত সময়ে তা সম্পূর্ণ ও সঠিকভাবে করতে পারেননি।
পরীক্ষার ফলাফলের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, গ্রামপুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিতদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সাধারণ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অন্যদিকে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রার্থীদের ন্যায্য মেধার ভিত্তিতে যাচাই করার কারণে প্রশংসা পাচ্ছেন। প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় ভবিষ্যতে পুনরায় নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
নিয়োগ বাছাই কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম আকাশ, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, “শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে মেধা পরীক্ষা চলাকালে দেখা গেছে, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে কেউ জাতীয় সংগীত সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের ধারণা থাকা আবশ্যক। জাতীয় সংগীতের মতো মৌলিক বিষয়ে প্রার্থীদের অজ্ঞতা আমাদের হতবাক করেছে।”








