সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

সবশেষ

মালদ্বীপে যাওয়ার ১৫ দিনের মাথায় মৃত্যু, অনিশ্চয়তায় পরিবারের ভবিষ্যৎ

পরিবারের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপে গিয়েছিলেন কুমিল্লার দেবীদ্বারের যুবক আলামিন। কিন্তু প্রবাসজীবন শুরুর মাত্র ১৫ দিনের মাথায় তার আকস্মিক মৃত্যুতে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে। পরিবারের একমাত্র ছেলে ও উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন তার স্বজনেরা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর আলামিনকে মালদ্বীপের হুলোহুমালে অবস্থিত ট্রি টপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

নিহত আলামিন কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. রুহুল আমিন।

নাশতা শেষে অসুস্থ বোধ করেন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে নাশতা শেষে বাসায় ফিরে আলামিন একই কক্ষে থাকা ব্যক্তিদের জানান, তার শরীর ভালো লাগছে না। বিষয়টি জানার পর কক্ষে থাকা এক ব্যক্তি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মালদ্বীপে যাওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটায় তার স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবারের একমাত্র ভরসা ছিলেন আলামিন
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আলামিন ছিলেন পরিবারের একমাত্র ছেলে এবং একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় তিনি বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

কিন্তু বিদেশে কাজ শুরু করার আগেই তার মৃত্যুতে পরিবারের সেই প্রত্যাশা ভেঙে গেছে। যার আয়ের ওপর পরিবারের সদস্যরা নির্ভর করতেন, তাকেই হারিয়ে এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।

আলামিনের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের পাশাপাশি পরিবারের সামনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। তবে তার মৃত্যুর কারণ, মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া এবং পরিবারের জন্য কোনো সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *