ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর ধোঁয়া দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ওমানে দূতাবাস কর্মীদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। কাতার, বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি রয়েছে। সৌদি আরবের মার্কিন বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানিয়েছে হামলার পর দূতাবাস ভবন থেকে ধোয়া উঠতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য মেলেনি।
এদিকে ওমানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে এই মুহূর্তে প্রয়োজন নেই এমন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারকে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সঙ্গে নাগরিকদের ওমান ভ্রমণে জারি করা সতর্কতাও বহাল রেখেছে ওয়াশিংটন।
ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত থাকায় জাতীয় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে কাতার। সেই সাথে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। বোমা হামলার সাইরেনের শব্দ শুনলেও নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাহরাইনও।
অন্যদিকে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান। ইরানি হামলায় বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ হামলায় কেউ নিহত হয়নি বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি।
এদিকে শুক্রবার ৫৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি করেছে সৌদি আরব। ড্রোনগুলো উৎক্ষেপণের উৎস সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেনি সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।








