নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক উদ্ধারের নামে পরিচালিত একটি অভিযানে গিয়ে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় পুলিশের দুই সোর্সকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৫ জুলাই) রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খায়রুল বাশার এবং সদর মডেল থানার কনস্টেবল মো. আশিকুল ইসলাম। এছাড়া মামলায় অভিযুক্ত দুই সোর্স মিরাজ ইসলাম শুভ ও মো. রানাকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এসআই খায়রুল বাশার ও কনস্টেবল আশিকুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দুই সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে ফতুল্লার জামতলা ঘোষপাড়ি এলাকায় সুমা আক্তার নামে এক নারীর বাড়িতে মাদক উদ্ধারের নামে অভিযান পরিচালনা করেন। ওই অভিযানের সময় তারা স্বর্ণালংকার চুরি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুমা আক্তার বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দুই সোর্সকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এসআই খায়রুল বাশার ও কনস্টেবল আশিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২ জুলাই বিকেলে জামতলা এলাকায় সাদা পোশাকে সোর্সদের নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা দুই সোর্সসহ ওই দুই পুলিশ সদস্যকে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে জরুরি নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।








