যুদ্ধবিরতির অল্প সময়ের মধ্যেই সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে দ্রুত অগ্রগতি দেখাচ্ছে ইরান। বিশেষ করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুনরায় সচল করার ক্ষেত্রে তেহরানের গতি মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকদেরও অবাক করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান তার সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। গোয়েন্দা মহলের ধারণা ছিল, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তেহরানের আরও দীর্ঘ সময় লাগবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের এই দ্রুত পুনরুদ্ধারের পেছনে রাশিয়া ও চীনের সহায়তা ভূমিকা রাখতে পারে বলে সন্দেহ করছে ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর থেকেই চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে আসছে।
তবে বেইজিং এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সিএনএনের প্রকাশিত তথ্য বাস্তবভিত্তিক নয় এবং তা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মতে, ইরানের দ্রুত সামরিক পুনর্গঠন এটাই প্রমাণ করে যে দেশটি এখনো মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী সামরিক প্রতিপক্ষ হিসেবে টিকে আছে। যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করলে ইরান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তবে পেন্টাগনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট যে সময় ও পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেবেন, তা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।








