মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
রোববার (৫ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, দলগতভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রচলিত আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের বিচার করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে। এসব মামলার তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তিগতভাবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর পাশাপাশি, দলগত অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবেও তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (৪ জুলাই) জুলাই জাতীয় সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে আর দেশে রাজনীতি করতে পারবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে। তারা এ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিকভাবে তাদের দাফন হয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে শিগগিরই বিচারের আওতায় আনা হবে।








