গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে নিজ বাসায় সানজিদা আক্তার (২৩) নামে এক তরুণীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে রাজু নামে পরিচিত এক যুবক জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার আমবাগ এলাকার আতাউর সরকারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা আক্তার বরিশালের কোতোয়ালি থানার উলারবাটনা গ্রামের শাহজাহানের মেয়ে। তার স্বামী জুয়েল রানা ওমানে কর্মরত। গত প্রায় তিন বছর ধরে স্বামীর সঙ্গে কোনাবাড়ীর ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন সানজিদা।
নিহতের ভাবি সাথী বেগমের ভাষ্য, সকালে এক ব্যক্তি বাসায় এসে সানজিদার ছোট ভাই সাজ্জাদের বিষয়ে জানতে চান। সাজ্জাদকে না পেয়ে ওই ব্যক্তি সানজিদার ওপর চাকু নিয়ে হামলা চালান। পরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।
সানজিদার ছোট বোন সুরভী আক্তার জানান, রাজু নামে এক যুবক আগে তাদের পাশের কক্ষে ভাড়া থাকতেন। তার সঙ্গে সানজিদার নিয়মিত ফোনে কথা হতো বলে দাবি করেন তিনি। সুরভীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার আগের রাতেও রাজু তাদের বাসায় এসেছিলেন। পরদিন এসে তার বোনকে চাকু দিয়ে আঘাত করা হয়।
তবে স্বজনদের এই অভিযোগের সত্যতা এবং হত্যাকাণ্ডে রাজুর ভূমিকা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। হত্যার কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত, তা বের করতে তদন্ত চলছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।








