কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় প্রবাসী চার ভাই, দুই নারীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত জিসানের বড় ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলাটি করেন।
পুলিশ জানায়, গত রোববার রাত ১১টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে কাকারা ইউনিয়নের লোটনি গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন জিসান। কাকারা সড়কের ছাবেরের দোকান এলাকায় পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাসে করে একদল লোক তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে মেধাকচ্ছপিয়া ঢালায় ন্যাশনাল পার্কের রাস্তার পাশ থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন, কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভরন্যার চর এলাকার মৃত আহমদ হোসেনের চার ছেলে প্রবাসী মোহাম্মদ জকরিয়া, মিজান, মিনহাজ ও নাজেম উদ্দিন; এক ছেলের স্ত্রী, তাদের বোন রাজিয়া বেগম এবং আত্মীয় চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালীর মৃত আবচার মুন্সির ছেলে তারেক।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে নারীঘটিত কোনো ঘটনা থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
ওসি বলেন, জিসানকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস এবং এর চালককে শনাক্ত ও আটক করা গেলে হত্যাকাণ্ডের স্থান ও পদ্ধতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করাও সহজ হবে বলে মনে করছে পুলিশ।
মামলার পর এখন অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, এর চালক এবং জিসানকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এসব বিষয়ের ওপর তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ।








