নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জে একই দিনে পৃথক দুটি গুলির ঘটনায় এক প্রবাসী ও এক তরুণ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বেগমগঞ্জে গুলির পর এক তরুণের মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুই উপজেলায় সংঘটিত এসব ঘটনায় হামলার ধরন ও ছিনতাইয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ও রাতে এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে সন্ধ্যায় বেগমগঞ্জ উপজেলায় কামরুল হাসান নামে ২৪ বছর বয়সী এক তরুণকে গুলি করে তার মোটরসাইকেল নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একই রাতে সোনাইমুড়ী উপজেলায় চায়ের দোকানে বসে থাকা এক প্রবাসী গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোনাইমুড়ীতে গুলির শিকার ব্যক্তির নাম মো. জামাল উদ্দিন। তিনি উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ঘোষকামতা গ্রামের বটতলী এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, বেগমগঞ্জে আহত কামরুল হাসানের বাড়ি আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড় নেওয়াজপুর গ্রামে।
গুলির পর মোটরসাইকেল ছিনতাই
বেগমগঞ্জের ঘটনায় গুলি চালানোর পাশাপাশি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২৪ বছর বয়সী কামরুল হাসানকে গুলি করার পর তার মোটরসাইকেল নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তবে হামলাকারীদের পরিচয়, হামলার উদ্দেশ্য কিংবা ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, সোনাইমুড়ীতে চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় জামাল উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হন। তবে তার ওপর হামলার কারণ, হামলাকারীদের সংখ্যা কিংবা ঘটনার আগে-পরে কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
হামলার কারণ নিয়ে রয়ে গেছে প্রশ্ন
দুটি ঘটনা একই দিনে নোয়াখালীর পৃথক উপজেলায় ঘটলেও এর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নির্ধারণের মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে বেগমগঞ্জে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছিল কি না এবং সোনাইমুড়ীতে প্রবাসী জামাল উদ্দিনকে কেন লক্ষ্যবস্তু করা হয়, এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আরও তথ্য প্রয়োজন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আহত দুজনের শারীরিক অবস্থা, তাদের চিকিৎসার বিস্তারিত এবং ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে হামলার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।








