সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সবশেষ

চাঁদা না দেওয়ায় কৃষকের ৫ লাখ টাকার গাজর লুট, যুবদল কর্মীসহ গ্রেপ্তার ২

পাবনা (ঈশ্বরদী): পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় কৃষকের লিজ নেওয়া জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাজর চুরির ঘটনায় যুবদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল ঠাকুরপাড়া গ্রামের মো. কালামের ছেলে আশিস (৩০) এবং একই এলাকার মো. পলানের ছেলে মো. পলাশ (৩০)।

গ্রেপ্তার আশিস এবং পলাশ পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী ও যুবদল কর্মী। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (৪১) বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলাম পেশায় একজন কৃষক। তিনি বছর ভিত্তিক চুক্তিতে জমি লিজ নিয়ে সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

পাকশী ইউনিয়নের বেলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে হব্বুল চেয়ারম্যানের দেড় বিঘা জমি এবং পাকশী পেপার মিলস কলোনির চরকী গেটের পশ্চিম পাশে স্বপনের নামে লিজ নেওয়া আরও ২ বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেন তিনি। 

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। প্রাণনাশের হুমকির মুখে তিনি ২৫ হাজার টাকা দিলেও পরে আরও টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।

পাবনা (ঈশ্বরদী): পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় কৃষকের লিজ নেওয়া জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাজর চুরির ঘটনায় যুবদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল ঠাকুরপাড়া গ্রামের মো. কালামের ছেলে আশিস (৩০) এবং একই এলাকার মো. পলানের ছেলে মো. পলাশ (৩০)।

গ্রেপ্তার আশিস এবং পলাশ পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী ও যুবদল কর্মী।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (৪১) বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলাম পেশায় একজন কৃষক। তিনি বছর ভিত্তিক চুক্তিতে জমি লিজ নিয়ে সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

পাকশী ইউনিয়নের বেলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে হব্বুল চেয়ারম্যানের দেড় বিঘা জমি এবং পাকশী পেপার মিলস কলোনির চরকী গেটের পশ্চিম পাশে স্বপনের নামে লিজ নেওয়া আরও ২ বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। প্রাণনাশের হুমকির মুখে তিনি ২৫ হাজার টাকা দিলেও পরে আরও টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।

এরপর গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বেলতলা এলাকার দেড় বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩০০ মণ গাজর লুট করে, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে পাকশী পেপার মিলস কলোনির ২ বিঘা জমি থেকে আরও প্রায় ৩৫০ মণ গাজর লুট করে, যার মূল্য ৩ লাখ। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার ফসল লুটের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কৃষক।

বাদী আরও জানান, স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, লুট করা গাজরের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।

পাবনার ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, ভুক্তভোগীর এজাহারের ভিত্তিতে থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও বাকি আসামি যারা তাদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরএ

এরপর গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বেলতলা এলাকার দেড় বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩০০ মণ গাজর লুট করে, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে পাকশী পেপার মিলস কলোনির ২ বিঘা জমি থেকে আরও প্রায় ৩৫০ মণ গাজর লুট করে, যার মূল্য ৩ লাখ। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার ফসল লুটের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কৃষক।

বাদী আরও জানান, স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, লুট করা গাজরের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।

পাবনার ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, ভুক্তভোগীর এজাহারের ভিত্তিতে থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও বাকি আসামি যারা তাদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরএ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *