জানা গেছে, রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা সিআইএর স্টেশনটি সোমবার ড্রোন হামলার শিকার হয়।
সূত্রটি মঙ্গলবার রয়টার্সকে জানায়, একটি ইরানি ড্রোন সেখানে আঘাত হানে এবং বিস্ফোরিত হয়। তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এছাড়া স্টেশনটিই হামলার নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু ছিল কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি সূত্রটি।
এর আগে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে সামরিক হামলা শুরু করে। এর পাল্টা জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এরই মধ্যে সৌদি আরবে সিআইএর স্টেশনে এই হামলার ঘটনা ঘটল। পাশাপাশি সৌদি আরবের আরও কয়েকটি এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কাতার নিউজ এজেন্সি মঙ্গলবার জানায়, ওই দুই সেল থেকে মোট ১০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজনের দায়িত্ব ছিল কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ও সামরিক স্থাপনা সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা। বাকি তিনজনকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন এবং গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতার মিশনে জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছেন।
কাতারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে সংবেদনশীল স্থাপনার অবস্থান ও স্থানাঙ্ক, যোগাযোগ যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।








