যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ অবশেষে শনাক্ত করেছে স্থানীয় পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বৃষ্টির পরিবারের সদস্যদের কাছে সরাসরি ফোনকলের মাধ্যমে। ফ্লোরিডা পুলিশ বিভাগ বৃষ্টির ভাইকে জানায়, উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি তারই বোনের।
শুক্রবার (১ মে) ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে। দূতাবাস জানায়, পরিবারের অনুরোধে বৃষ্টির মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মিয়ামিতে বাংলাদেশের কনস্যুলেটের সহায়তায় এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এ ঘটনায় আরেক ভুক্তভোগী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহও দেশে আনার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২ মে রাত ৮টা ৫০ মিনিটে অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (এমসিও) থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে। দুবাইয়ে ট্রানজিট শেষে ৪ মে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জানা যায়, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ডক্টরাল শিক্ষার্থী জামিল লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ১০ দিন কোনো খোঁজ না পাওয়ার পর গত শুক্রবার লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
লিমন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ক পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত ছিলেন। একই সময়ে নিখোঁজ হওয়া বৃষ্টির মরদেহের অংশ বিশেষ পরে উদ্ধার করা হয় ফ্লোরিডার আই-২৭৫ এবং ফোর্থ স্ট্রিট নর্থের পাশের একটি জলাশয় থেকে, যা ছিল এই রহস্যজনক ঘটনার আরেকটি মর্মান্তিক দিক।








