ফলোআপ চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে থাকা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সফরকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশে ব্যয় সংকোচনের নানা উদ্যোগ চলমান থাকলেও তার বিদেশ সফরে বিলাসী আয়োজন ও বড় বহর নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।
লন্ডনে পৌঁছে রাষ্ট্রপতি প্রথমে রাজধানীর অভিজাত হোটেল হিলটনে অবস্থান করেন। পরে ক্যামব্রিজে গিয়ে নিউমার্কেট এলাকার বিলাসবহুল বেডফোর্ড লজ রিসোর্টে ওঠেন। লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
রাষ্ট্রপতি ও তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানা ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে হৃদ্রোগের ফলোআপ চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার তারা আবার লন্ডনে ফিরে আসেন।
হাইকমিশনের এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জুমার নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও শেষ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতি শপিংয়ে বের হন। এ কারণে তার প্রটোকলে নিয়োজিত কয়েকজন কর্মকর্তা জুমার নামাজ আদায় করতে পারেননি বলেও জানা গেছে।
একই সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরের জন্য সাতটি বিলাসবহুল গাড়ি ভাড়া করা হয়েছে। এসব গাড়ি রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গীরা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন। ফলে চিকিৎসা সফরে এসে এত বড় বহর ও ব্যয়বহুল ব্যবস্থাপনা কতটা প্রয়োজন ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, প্রায় দুই ডজন সফরসঙ্গী নিয়ে ৯ দিনের এই সফরে বিপুল পরিমাণ সরকারি ব্যয় হচ্ছে। এমন সময় এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সরকার বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাতে প্রকল্প সংকোচন, ব্যাংক ও অফিসের সময়সীমা কমানোসহ নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।
সমালোচকদের মতে, কৃচ্ছ্রসাধনের বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতির চিকিৎসা সফরকে ঘিরে বিলাসবহুল আয়োজন জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু গত ৯ মে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে লন্ডন যান। আগামী রোববার তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সূত্র: আমার দেশ








