হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনকারী জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না বলে জানিয়েছে ইরান।
ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের এলএনজিবাহী জাহাজ চলাচলে অসুবিধার কোনো কারণ নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরই প্রণালিটির কার্যক্রম নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগের মধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে এমন আশ্বাস এল।
‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় তেহরান
সাক্ষাৎ শেষে ইরানের রাষ্ট্রদূত পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে হওয়া নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও কথা বলেন। ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে পরিচিত এই উদ্যোগকে তেহরান ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে বলে জানান তিনি।
চুক্তিটি নিয়ে ইরান কোনো ধরনের শঙ্কায় নেই উল্লেখ করে জলিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, এ চুক্তি দেখিয়ে দিয়েছে যে ইসলামিক দেশগুলোর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিজেদের ওপরই নির্ভর করতে হবে।
আরব দেশগুলোকে মার্কিন ঘাঁটি সরানোর আহ্বান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিয়েও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় ইরান কেবল যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির সমর্থনকারী দেশগুলোর সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন’ পরিচালনা করেছে।
জলিল রহিমি জাহানাবাদি আশা প্রকাশ করেন, আরব দেশগুলো তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো সরিয়ে দেবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয় ও চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান ইরানের রাষ্ট্রদূত।








