সৌদি আরবে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনিয়ম ও শ্রমিক হয়রানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। কর্মী পাঠানোর নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা হয়রানির ঘটনা ঠেকাতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিআইএএম ফাউন্ডেশনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ অবস্থানের কথা জানান। সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করে দক্ষ শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণের বিষয়ে সভাটির আয়োজন করা হয়।
বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় কত হবে, সেটিও আলোচনায় উঠে আসে। মন্ত্রী জানান, শ্রমিক পাঠানোর পূর্ণাঙ্গ ফি ও মেডিকেল পরীক্ষার খরচ নির্ধারণের বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ব্যয় নির্ধারণে আলোচনা, তবে চূড়ান্ত অঙ্ক এখনো ঘোষণা হয়নি
সৌদি আরবে যেতে আগ্রহী কর্মীদের জন্য অভিবাসন ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ব্যয়ের মধ্যে কোন কোন খাতে কত অর্থ দিতে হবে, তা স্পষ্ট না হলে কর্মীদের আর্থিক চাপ এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তবে সভায় পূর্ণাঙ্গ ফি ও মেডিকেল খরচ নিয়ে আলোচনার কথা জানানো হলেও নির্দিষ্ট অঙ্ক বা সিদ্ধান্তের সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিইয়াহ জানান, সৌদি আরবের শ্রমবাজার আধুনিকীকরণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে দেশটিতে সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও বিধিবিধান কঠোরভাবে মেনে দক্ষ শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
সরকারের ঘোষিত কঠোর অবস্থান বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত, দায়ী এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় স্বচ্ছভাবে নির্ধারণের ওপর। এসব বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।








