বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। কিছু অসংগতি ছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়া ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও সন্তুষ্ট ইইউ। মঙ্গলবার রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইইউ। ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য ১৯টি সুপারিশও দিয়েছে সংস্থাটি।
দুই মাস পর্যবেক্ষণের পর বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কিছু অসংগতি ছাড়া পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সন্তুষ্ট সংস্থাটি।
ইইউয়ের চিফ অবজার্ভার ইভার্স ইজাবস বলেন, এবারের নির্বাচন যেমন বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে, তেমনি দক্ষতার সাথে পরিচালিত হয়েছে।
ইভার্স বলেন, “বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন সবার প্রশংসা পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমুক্ত হয়ে সব অংশীজনদের নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পেরেছে। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে।”
ইইউ মনে করে, নির্বাচনে কিছু অসংগতি থাকলেও কারচুপির মতো অভিযোগের ভিত্তি নেই। পোস্টাল ব্যালটে ভোটের প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “কারচুপির অভিযোগের কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি। কিছু অসংগতি সব দেশের নির্বাচনেই হয়। তবে এবারের নির্বাচনে গ্রহণযোগ্যতা বেশি। পোস্টালের মাধ্যমে ভোটের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা সব প্রবাসীর ভোট নিতে না পারলেও সাধ্যমতো চেষ্টা করেছে।”
নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যরা ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ৬৪টি জেলায় ঘুরে এ প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেন।








