নোয়াখালীর পশ্চিম মাইজদীর মুরগি ফার্ম এলাকায় নিজস্ব খরিদা জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদা দাবির মুখে পড়ার অভিযোগ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী মোরশেদ আলম রিয়াদ। দাবি অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাং তাকে কয়েক দফা মারধর করে। একপর্যায়ে তার প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এ ঘটনায় সুমন ও অপুর নেতৃত্বাধীন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন রিয়াদ।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মাইজদী এলাকায় নিজের কেনা জমিতে ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেন রিয়াদ। এ সময় কয়েকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় সুমন ও অপুর নেতৃত্বে একদল যুবক তাকে মারধর করে। পরে তাকে আরও কয়েক দফা হামলার শিকার হতে হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার একপর্যায়ে রিয়াদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও নিয়ে যায় হামলাকারীরা। মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
রিয়াদের অভিযোগ, ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। তার গ্রামের বাড়ি এবং নোয়াখালীর মাইজদী হাউজিং এলাকার বাসার সামনে অস্ত্রধারী লোকজন নিয়ে মহড়া দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, তাকে ও তার পরিবারকে চাপে রাখতে একটি রাজনৈতিক মামলায়ও মিথ্যা আসামি করা হয়েছে।
বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রিয়াদ। হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তার পরিবার।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন, অপু বা তাদের পক্ষের কারও বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।








