রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সবশেষ

স্টকহোমে প্রবাসীদের সাফল্যের স্বীকৃতি, বাংলা ট্যালেন্ট সামিটে সম্মাননা পেল প্রবাস কথা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি প্রতিভাবান মানুষ, উদ্যোক্তা, পেশাজীবী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলা ট্যালেন্ট গ্লোবাল সামিট ২০২৬’।

মাল্টি-ট্যালেন্ট ওয়ার্ল্ড ম্যাগাজিন ও নোটিশিয়াস বাংলা আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের আটটি দেশ থেকে গুণী প্রবাসীরা অংশ নেন। নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরছেন, এমন কয়েকজনকে অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

আয়োজনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন মাল্টি-ট্যালেন্ট ওয়ার্ল্ড ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা সালাহ উদ্দিন জিকো। তিনি জানান, স্টকহোমের এ আয়োজনকে একটি ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক উদ্যোগে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন বিষয় ও থিমকে কেন্দ্র করে স্পোর্টস সামিট, হেলথ সামিটসহ নানা ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করতে চান তিনি।

তার পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান বাংলাদেশিদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করা। উদ্যোক্তা, পেশাজীবী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিদের এক জায়গায় এনে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

সম্মাননা পেল ‘প্রবাস কথা’
প্রবাসীদের জন্য নিজস্ব গণমাধ্যম হিসেবে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় ‘প্রবাস কথা’কে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন প্রবাস কথার ইউরোপ ব্যুরো প্রধান এমকে রহমান লিটন।

১৮৫ দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নাজমুন নাহারের
সম্মেলনে কি নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন নাজমুন নাহার। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ১৮৫টি দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।

তার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পরিচয়ের আলোকে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ আয়োজন
সামিটে পোল্যান্ডের ব্রিটিশ গ্র্যাজুয়েট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশি অধ্যাপক ড. মো. হুসাইন আলম অংশ নেন। বিশ্বের সাত মহাদেশ ভ্রমণ করা জহির ইসলামও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নিজের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি আয়োজনটিতে অবদান রাখেন।

আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্টকহোমের এই সামিটের পরবর্তী ধাপ হতে পারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরও আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এর মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *