বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শুরু হচ্ছে মোদির এই সফর।
গাজায় রক্তপাতের মধ্যেই মোদির এই সফর তাই কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক কর্মসূচি নয়, বরং ভারতের পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, মোদির এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, উন্নত প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। গত এক দশকে ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক দৃশ্যত উষ্ণ হয়েছে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে।
তবে সফরটি নতুন করে সামনে এনেছে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন প্রশ্নে ভারতের ঐতিহাসিক অবস্থান।
গাজা পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান তুলনামূলকভাবে সতর্ক। দিল্লি সরাসরি ইসরায়েলের সমালোচনায় না গেলেও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। পশ্চিম তীর ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও গাজা প্রশ্নে ভাষা পরিমিত রেখেছে ভারত।
মোদির এই সফর নিয়ে সমালোচনা করেছে বিরোধী দল কংগ্রেস। তাদের মতে, এতে ভারতের ঐতিহাসিক ফিলিস্তিন-সমর্থন নীতি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি আছে। তবে বিশ্লেষকদের অনেকে বলছেন, ভারত এখন বহুমাত্রিক কূটনীতির পথে হাঁটছে। ইসরায়েলের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি ফিলিস্তিন ও আরব দেশগুলোর সঙ্গেও ভারসাম্য রাখতে চাইছে দিল্লি।
দলটির এক সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইসরায়েল সফরের সময় গাজায় চলমান গণহত্যার বিষয়টি উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান ফিলিস্তিনের পক্ষে।
ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া বক্তব্যে কংগ্রেস এমপি ইমরান মাসুদ বলেন, ইসরায়েল ভারতকে কী দিতে পারে? প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাচ্ছেন। যদি কোনো নৈতিকতা থাকে, তাহলে গাজায় শিশুদের মৃত্যুর বিষয়ে তার কথা বলা উচিত। ভারতের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট; তারা ফিলিস্তিনকে সমর্থন করে।








