ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে সৌদি আরবের দিকে আসা তিনটি ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রোববার সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, ড্রোনগুলো সৌদি ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হয়। তিনি বলেন, ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আল-মালিকি আরও বলেন, সৌদি আরবের নাগরিক ও বিদেশি বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইরানকে কেন্দ্র করে সরাসরি সংঘাত কিছুটা কমলেও, ইরাক থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ড্রোন হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হচ্ছে।
সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে চালানো এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে কাতার। দোহা এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডান পৃথক বিবৃতিতে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল-বুদাইউই বলেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা গোটা উপসাগরীয় জোটের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
উল্লেখ্য, একই দিনে আবুধাবির বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকাতেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। যদিও দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি বেড়েছে।








