শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

সবশেষ

কবিরহাটের কৃতী সন্তানদের সম্মাননা, মরণোত্তর স্বীকৃতি পেলেন ব্যারিস্টার মওদুদসহ চার বিশিষ্টজন

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার গুণী ও কৃতী ব্যক্তিদের অবদান স্মরণে সম্মাননা প্রদান করেছে ঢাকাস্থ কবিরহাট উপজেলা ফোরাম। এ আয়োজনে সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ চার বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা জীবিত কৃতী ব্যক্তিদেরও সংবর্ধনা জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ঢাকাস্থ কবিরহাট উপজেলা ফোরামের সভাপতি মো. ইলিয়াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইবনে সিনা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ্জাহের।

অনুষ্ঠানে দেশের প্রবীণ আইনজীবী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং নোয়াখালী-৫ আসনের পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়া একই সম্মাননায় ভূষিত হন বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আবু আহমেদ চৌধুরী, কবিরহাট সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক সচিব মোহাম্মদ নুর উদ্দিন।

শিক্ষা, সমাজসেবা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, সাহিত্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কবিরহাট উপজেলার আরও কয়েকজন কৃতী ব্যক্তিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ্জাহের, লুৎফর রহমান চৌধুরী, এ টি এম ফজলুল হক, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চৌধুরী গোলাম মাওলা, মাওলানা আবদুল মোনায়েম, মাহবুবুল হক এবং সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রাজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ্জাহের বলেন, কবিরহাটের অনেক কৃতী সন্তান দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। দল-মত নির্বিশেষে যারা প্রয়াত হয়েছেন কিংবা এখনো সমাজে অবদান রেখে যাচ্ছেন, তাদের কাজকে যথাযথ সম্মান জানানো সমাজের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে নোয়াখালীর বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সমাজের গুণী ও কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করার মাধ্যমে শুধু তাদের অবদানই স্মরণ করা হয় না, বরং নতুন প্রজন্মও দেশ ও সমাজের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *