ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে ইরাক সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় সশস্ত্র হামলায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় কেরমানশাহ প্রদেশের পাভেহ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। সীমান্তবর্তী এই শহরটি ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের সন্নিকটে অবস্থিত।
আইআরজিসির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা একটি বাড়ির প্রবেশপথ লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। বাহিনীটি ঘটনাটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ না করে শুধু স্থানীয় আইআরজিসির সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। হামলায় আহত দুজনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
ঘটনার পর হামলার নেপথ্যের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে আইআরজিসি। বাহিনীর দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে অতীতের বিভিন্ন ঘটনার মতো এবারও ইরানের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।
ইরান-ইরাক সীমান্তবর্তী এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কুর্দি জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছে। এ কারণে ইরান তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে বিবেচনা করে। একই সঙ্গে তেহরানের অভিযোগ, এসব কুর্দি গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তা পেয়ে থাকে।








