প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি বজায় রয়েছে। চলতি জুলাই মাসের প্রথম ২৭ দিনেই দেশে এসেছে ২৫২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ৯ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৯ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় এবার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে প্রবাসী আয়।
এর আগে জুন মাসে দেশে মোট ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
এরও আগে মে মাসে দেশে আসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। আর মার্চে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এছাড়া এপ্রিলে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার।
চলতি বছরের শুরু থেকেও রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী রয়েছে। জানুয়ারিতে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে আসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে আসে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। একই বছরের অক্টোবরে আসে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে মোট ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।








