সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

সবশেষ

রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব, প্রবাসী আয়ে এগিয়ে ঢাকা বিভাগ

বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস রেমিট্যান্সে আবারও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সৌদি আরব। একই সময়ে দেশের বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ঢাকা বিভাগে, আর সবচেয়ে কম এসেছে রংপুর বিভাগে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা মোট ৩ হাজার ৫৫৮ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।

এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৫৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। রেমিট্যান্স পাঠানো দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখান থেকে এসেছে ৫০৭ কোটি ১৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৪৫৮ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৩৪০ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩০১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ইতালি থেকে ২০৫ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ওমান থেকে ২০৪ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, কুয়েত থেকে ১৭৬ কোটি ৩৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার, কাতার থেকে ১৫৫ কোটি ৮৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং সিঙ্গাপুর থেকে ১৪৯ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এ দেশগুলোই অর্থবছরে রেমিট্যান্স পাঠানো শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে, বিভাগভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহের চিত্রেও স্পষ্ট ব্যবধান দেখা গেছে। জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে ঢাকা বিভাগে এসেছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৪৮ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা দেশের মোট রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় অংশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগে একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৯৯৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এছাড়া সিলেট বিভাগে এসেছে ২৯২ কোটি ৪৪ লাখ ডলার।

এর বাইরে খুলনা বিভাগে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৮ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার, রাজশাহী বিভাগে ১১২ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বরিশাল বিভাগে ৭৫ কোটি ২৯ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৭ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং রংপুর বিভাগে এসেছে সর্বনিম্ন ৩৮ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আগের মতোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *