মাদারীপুরের ডাসারে বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন রুপা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূ। পরিবারের দাবি, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তার সঙ্গে স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল ছিল। তবে কোথায় গিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করলেও রুপার সন্ধান পাননি। পরে তার বাবা ফেরদাউস মোল্লা ডাসার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ বলছে, নিখোঁজ গৃহবধূকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
যেভাবে নিখোঁজ হলেন রুপা
পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডাসার উপজেলার পশ্চিম কোমলাপুর গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হন রুপা।
কিন্তু এরপর তিনি বাবার বাড়িতে পৌঁছেছেন, এমন কোনো তথ্য পরিবার পায়নি। নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে না ফেরায় প্রথমে আত্মীয়-স্বজনের কাছে খোঁজ নেওয়া হয়। সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায়ও খোঁজ চালানো হয়। কোথাও সন্ধান না পেয়ে ওই রাতেই থানায় জিডি করেন রুপার বাবা।
সঙ্গে ছিল কী?
রুপার স্বামী সৌদি প্রবাসী আশিক মাতুব্বরের দাবি, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় রুপার সঙ্গে স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল ছিল।
আশিক মাতুব্বর বলেন, রুপা বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়েছিলেন। কিন্তু পরে আর বাড়িতে ফেরেননি। তার সন্ধান চেয়ে রুপার বাবা থানায় জিডি করেছেন।
তবে এসব মালামাল কী কী ছিল, সেগুলোর সুনির্দিষ্ট তালিকা কিংবা নিখোঁজের পর সেগুলোর কোনো সন্ধান পাওয়া গেছে কি না, এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পাঁচ দিনেও মেলেনি সন্ধান
মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত পাঁচ দিন পার হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রুপার সঙ্গে পরিবারের কারও যোগাযোগ হয়েছে কি না, কিংবা তিনি নিজে কোথাও অবস্থান করছেন কি না, এমন কোনো তথ্যও পরিবার প্রকাশ করেনি।
রুপা আক্তার ডাসারের পশ্চিম কোমলাপুর গ্রামের আশিক মাতুব্বরের স্ত্রী। তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাগুরা গ্রামের ফেরদাউস মোল্লার মেয়ে।
পুলিশের বক্তব্য
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান মাহমুদ বলেন, গৃহবধূ নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এখন পর্যন্ত রুপা কোথায় আছেন বা কীভাবে নিখোঁজ হয়েছেন, সে বিষয়ে পুলিশ বা পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।








