শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

সবশেষ

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভীসহ নতুন চার সদস্য

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে একসঙ্গে চার নেতাকে যুক্ত করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিসর আরও সক্রিয় করার লক্ষ্যেই নতুন সদস্যদের মনোনীত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

নতুন করে স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পাওয়া চার নেতা হলেন, দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম (ডোনার) এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

শনিবার বিএনপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে চার নেতাকে জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চার নেতার নতুন দায়িত্ব
নতুন সদস্যদের মধ্যে রুহুল কবির রিজভী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক ভূমিকার পর এবার তিনি দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে যুক্ত হলেন।

আমান উল্লাহ আমান এর আগে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। একই সাংগঠনিক ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ফরহাদ হালিম (ডোনার)।

অন্যদিকে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।

কেন এখন চারজনকে যুক্ত করা হলো
বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। ওই কাউন্সিলের পর দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে কয়েকজন সদস্যের মৃত্যু, পদত্যাগসহ বিভিন্ন কারণে স্থায়ী কমিটির একাধিক পদ শূন্য হয়ে যায়।

দলটি বিভিন্ন সময়ে এসব শূন্য পদে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করেছে। এবার একসঙ্গে চারজনকে স্থায়ী কমিটিতে নেওয়া হলো।

নতুন এই অন্তর্ভুক্তির ফলে বিএনপির শীর্ষ নীতিনির্ধারণী কাঠামোয় কেন্দ্রীয় ও সাংগঠনিক পর্যায়ে অভিজ্ঞ কয়েকজন নেতার প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ল। দলের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সদস্যদের যুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য সাংগঠনিক কার্যক্রমে আরও গতি আনা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নকে কার্যকর করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *